সেরা ক্যাসিনো ও বাজির সাইট
১২টি সাইট, প্রতিটার নিজস্ব রেটিং আর এক নজরে কীসের জন্য ভালো। ১০০ টাকার বাজিতে রুলেটে এক নম্বর দেয় ৩,৫০০ টাকা, আর কোথায় কোনটা মেলে সেটা নিচের তালিকায়।
রাকিব হাসান · সম্পাদক · প্রকাশিত
হালনাগাদ ৮ অক্টোবর ২০২৬সাইট ১২রেটিং নিজস্ব
এখানে ১২টি সাইট আছে, প্রতিটার নিজস্ব রেটিং আর সংক্ষেপে কীসের জন্য ভালো। রেটিং কোথা থেকে এসেছে, নিচে লেখা আছে।
তালিকার প্রথম নামটা Jaya9 — ক্রিকেট বাজির জন্য: তিনটা ৩.০০ রেটের বাজি এক স্লিপে ২৭, গুণ আর ১,০০০ টাকার বাজিতে ফেরত আসে ২৭,০০০ টাকা। বিকাশ আর নগদ — দুইটাতেই জমা আর টাকা তোলা, দুইটাই হয়। প্রতিটা নামের পাশে ছোট্ট করে লেখা আছে কোন সাইট কীসে সবচেয়ে ভালো, আর কার্ডের বাটনটা সরাসরি সেখানেই নিয়ে যায়। র্যাঙ্কিংয়ের ক্রমটা ওই রেটিং থেকেই আসে।
শুরুতেই একটা জিনিস ঠিক করে নিন: ক্রিকেট নাকি ক্যাসিনো? মূলত ম্যাচে বাজি ধরলে Jaya9, Krikya আর Crickex — এই তিনটাতে মার্কেট সবচেয়ে বেশি, বিশেষ করে বিপিএল আর বড় সিরিজে। স্লট আর লাইভ ক্যাসিনো চাইলে JeetWin, Babu88 আর Glory Casino-র তালিকা বড়।
এইটুকুতেই তালিকাটা তিন-চারটা নামে নেমে আসে। বাকিটা টাকার হিসাব, আর সেটা নিচে।
১২টি সাইট
#১
★★★★★৩.৬
সবচেয়ে ভালোক্রিকেট বাজির জন্য
ক্যাসিনো ও বাজি
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
#২
★★★★★৩.৩
সবচেয়ে ভালোলাইভ ক্রিকেটের জন্য
বাজি
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
#৩
★★★★★৩.২
সবচেয়ে ভালোঅ্যাপে খেলার জন্য
বাজি
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
#৪
★★★★★৩.১
সবচেয়ে ভালোপরিচিত নামের জন্য
ক্যাসিনো ও বাজি
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
#৫
★★★★★৩.০
সবচেয়ে ভালোস্লট খেলার জন্য
ক্যাসিনো ও বাজি
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
#৬
★★★★★৩.০
সবচেয়ে ভালোনগদ ব্যবহারকারীদের জন্য
ক্যাসিনো ও বাজি
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
#৭
★★★★★৩.০
সবচেয়ে ভালোবড় তালিকার জন্য
ক্যাসিনো ও বাজি
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
#৮
★★★★★২.৯
সবচেয়ে ভালোলাইভ ক্যাসিনোর জন্য
ক্যাসিনো
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
#৯
★★★★★২.৮
সবচেয়ে ভালোবোনাসের জন্য
ক্যাসিনো ও বাজি
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
#১০
★★★★★২.৭
সবচেয়ে ভালোস্লট ও লাইভ গেমের জন্য
ক্যাসিনো
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
#১১
★★★★★২.৪
সবচেয়ে ভালোসহজ শুরুর জন্য
বাজি
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
#১২
★★★★★২.৩
সবচেয়ে ভালোছোট বাজেটের জন্য
বাজি
বিকাশনগদরকেট
খেলুন
রিভিউ →
বিকাশ, নগদ ও রকেট — প্রায় সব সাইটে চলে, কিন্তু জমা আর টাকা তোলার তালিকা এক নয়। বিস্তারিত বিকাশ ও নগদ পাতায়।
কোন ক্যাসিনো বাছবেন: তিনটা প্রশ্ন
ক্রিকেট নাকি ক্যাসিনো — সেটা উপরে ভাগ হয়ে গেছে। বাকি বাছাই দুইটা প্রশ্নে শেষ, আর দুইটারই উত্তর আপনার আগে থেকে জানা।
দুই: বিকাশ নাকি নগদ? প্রায় সবগুলোতেই দুইটাই চলে, কিন্তু কোনটা আপনার ফোনে আছে সেটা দিয়ে শুরু করাই সহজ। নিয়মটা মনে রাখবেন: যে মাধ্যমে জমা দেবেন, টাকা তোলাও সেই মাধ্যমেই আসবে।
তিন: ফোনের নেট কেমন? নেট স্লো হলে Krikya-র অ্যাপটা সবচেয়ে হালকা — সেটা এমন জায়গাতেও চলে যেখানে বাকিগুলো আটকে যায়। লাইভ বাজিতে এই পার্থক্যটা টাকার সমান, কারণ সেখানে রেট সেকেন্ডে বদলায়।
তিনটা উত্তর মিলিয়ে নাম বেরিয়ে আসে, আর পুরোটায় এক মিনিটও লাগে না। ভুল হলেও সমস্যা নেই: দ্বিতীয় অ্যাকাউন্ট খুলতে বাড়তি কোনো খরচ নেই, কারণ বিকাশ চার্জ নেয় টাকার পরিমাণে, সাইটের সংখ্যায় নয়।
দুইটা অ্যাকাউন্ট কেন কাজে লাগে
নিয়মিত যারা খেলে, তাদের বেশির ভাগেরই দুইটা অ্যাকাউন্ট থাকে — এক সাইটে যা নেই, অন্যটায় থাকে, আর একই ম্যাচে রেট দুই জায়গায় দুই রকম। তবে শুরুটা একটা দিয়েই করুন; দ্বিতীয়টা তখন খুলবেন, যখন প্রথমটায় কিছু একটা কম পড়বে।
কোন সাইট কীসের জন্য ভালো
র্যাঙ্কিংয়ের ক্রম একটা কথা বলে, কিন্তু আসল প্রশ্ন “কোনটা সেরা” নয় — “আমি যা করি, তার জন্য কোনটা”।
প্রয়োজন অনুযায়ী
| যদি এটা দরকার | এটা সেরা | রেটিং |
| ক্রিকেট বাজি | Jaya9 | ★★★★★৩.৬ |
| অ্যাপে খেলা | Krikya | ★★★★★৩.২ |
| লাইভ ক্রিকেট | Crickex | ★★★★★৩.৩ |
| স্লট | Babu88 | ★★★★★৩.০ |
| নগদ দিয়ে | Nagad88 | ★★★★★৩.০ |
| লাইভ ক্যাসিনো | JeetWin | ★★★★★২.৯ |
প্রতিটা নামে ক্লিক করলে বিস্তারিত রিভিউ: ভালো-খারাপ দিক, পেমেন্ট, টাকা তোলার নিয়ম।
ছোট বাজেটে শুরু করলে দুইটা নাম আলাদা করে দেখার মতো। Marvelbet-এ সর্বনিম্ন জমা কম, তাই প্রথম টাকাটা ছোট রাখা যায়। আর Six6s নাম হিসেবে ছোট হলেও শুরু করা সেখানে সবচেয়ে সহজ: রেজিস্ট্রেশন দ্রুত, আর ইন্টারফেসে খোঁজাখুঁজি করতে হয় না।
টাকা জমা ও তোলা
সবই টাকায় — ডলারে রূপান্তরের দরকার নেই।
- bKash
- নম্বর দিয়ে, এক মিনিটে
- Nagad
- একই নিয়ম, আলাদা অ্যাপ
- Rocket
- ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের সেবা
- upay
- কম ব্যবহৃত, সীমা কম
কোন সাইটে কত সময়ে টাকা ওঠে →
১,০০০ টাকা দিয়ে শুরু করা যায়?
হ্যাঁ — কিন্তু সাইটগুলো সর্বনিম্ন জমার অঙ্কটা আগে থেকে কোথাও লিখে রাখে না: সেটা দেখা যায় শুধু লগইনের পরে, অ্যাকাউন্টের ডিপোজিট পেজে। তাই এই পাতায় সেই সংখ্যা নেই — যেটা আমরা নিজে দেখিনি, সেটা লিখি না।
রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই যা দেখা যায়, সেটা আরও কাজের: টাকা তোলার সময় ওয়ালেট কত কাটে। হাতে টাকা কম থাকলে এই পার্থক্যটাই সবচেয়ে বেশি টের পাওয়া যায়।
১,০০০ টাকা ক্যাশ আউট করলে কত চার্জ কাটে
| মাধ্যম | চার্জ | কোথায় |
| উপায় | ৮ টাকা | UCB এটিএম |
| রকেট | প্রায় ৯ টাকা | DBBL এটিএম |
| নগদ | ১২.৫০ টাকা | অ্যাপ থেকে |
| বিকাশ | ১৪.৯০ টাকা | প্রিয় এজেন্ট বা এটিএম |
| বিকাশ | ১৮.৫০ টাকা | সাধারণ এজেন্ট |
বিকাশ-নগদ নিজেরা যে চার্জ ঘোষণা করেছে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর। সাইট আলাদা করে কিছু কাটে কি না, সেটা ডিপোজিট পেজে দেখা যায়।
পার্থক্যটা দুই গুণেরও বেশি: এজেন্টের কাছে বিকাশে তুললে হাজারে ১৮.৫০, UCB এটিএমে upay দিয়ে তুললে ৮। হাজারে ১০.৫০ টাকা শোনায় সামান্য, কিন্তু ৩,০০০ টাকা তুললে সেটা ৩১.৫০ — আর টাকা তোলা যদি মাসে কয়েকবার হয়, বছরে সেটাই কয়েকটা বাজির সমান। তাই যেটা দিয়ে জমা দিচ্ছেন, তোলার সময়ও যেন সেটাই সবচেয়ে সস্তা হয়।
সাইট বাছাই কত টাকার প্রশ্ন
র্যাঙ্কিং থেকে সাইট বেছে নেওয়ার পরেও একটা সিদ্ধান্ত বাকি থাকে, আর ক্যাসিনোতে সেটা টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বড়: কোন খেলায় বসবেন। একই ১০০ টাকার বাজিতে সর্বোচ্চ পেআউট ২০০ টাকা থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত যায়, আর হাউস এজও সঙ্গে বদলায় — তবে একই অনুপাতে নয়: পেআউট আড়াই হাজার গুণ বাড়ে, হাউস এজ সাত গুণ।
হাউস এজ আর ১০০ টাকার বাজিতে সর্বোচ্চ পেআউট
| খেলা | হাউস এজ | গুণক | ১০০ টাকায় |
| ব্ল্যাকজ্যাক | ০.৫০% | ২× | ২০০ টাকা |
| ব্যাকারাত | ১.০৬% | ২× | ২০০ টাকা |
| ইউরোপীয় রুলেট | ২.৭০% | ৩৫× | ৩,৫০০ টাকা |
| স্লট | ৩.৫০% | ৫,০০০× | ৫ লাখ টাকা |
| আমেরিকান রুলেট | ৫.২৬% | ৩৫× | ৩,৫০০ টাকা |
সংখ্যাগুলো নিয়ম থেকে বের করা, কোথাও থেকে উদ্ধৃত নয়: রুলেটেরটা শূন্যের সংখ্যা থেকে, ব্ল্যাকজ্যাকেরটা কৌশল থেকে।
ক্যাসিনোর টেবিলে উপরের আর নিচের সারি দুইটা আলাদা জিনিস: ব্ল্যাকজ্যাকে হাউস এজ সবচেয়ে কম আর ১০০ টাকার বাজিতে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা, স্লটে হাউস এজ সাত গুণ বেশি আর সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা। দুইটার দামই আগে থেকে জানা, আর বাছাইটা সাইটের আগেই হয়ে যায়। পুরো তালিকা ক্যাসিনো গেম পাতায়।
র্যাঙ্কিংয়ে বারোটা সাইট — বদলানো যায় যেকোনো সময়
রেজিস্ট্রেশনের আগে দুই মিনিটে যা সেরে ফেলা যায়
- বিকাশ অ্যাকাউন্টের নামটা হাতের কাছে রাখুন। রেজিস্ট্রেশনের নাম আর ওয়ালেটের নাম অক্ষরে অক্ষরে এক হতে হবে — এই একটা মিলই প্রথম টাকা তোলাটা সমস্যা ছাড়া পার করে দেয়।
- বোনাসের ওয়েজারিংটা খুঁজে বের করুন। শতাংশ নয়, গুণক: ১০ গুণ-এ বোনাসের প্রায় ৬৫% টেকে, ৩৫ গুণ-এ কিছুই টেকে না।
- গেমের “i” বাটনটা খুলুন। একই স্লট দুই সেটিংয়ে চলে, আর ওখানেই লেখা থাকে কোনটা।
- এনআইডির ছবি দুইটা তুলে রাখুন। যাচাই একবারের কাজ, আর প্রথম দিনেই দিয়ে রাখলে পরের প্রতিটা টাকা তোলা থেকে একটা ধাপ কেটে যায়।
চারটাই ফ্রি, আর একসঙ্গে দুই মিনিটের কম। এই দুই মিনিটই সবচেয়ে বেশি টাকা বাঁচায় — তারপর শুধু ভাগ্য কাজ করে, আর সেটা যাচাই করা যায় না।
একটা ক্যাসিনো নিজে যাচাই করার চার প্রশ্ন
এই তালিকার বাইরের কোনো ক্যাসিনো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে চারটা প্রশ্নই যথেষ্ট, আর চারটারই উত্তর টাকা দেওয়ার আগে পাওয়া যায়। কোনো রেটিং লাগে না।
- টাকা জমা ও তোলার পাতা খুলে দেখুন। রেজিস্ট্রেশনের পর, জমার আগে — সেখানেই লেখা কোন মাধ্যমে জমা আর কোন মাধ্যমে টাকা তোলা। দুইটা তালিকা এক না হলে সেটা এখনই জানা ভালো।
- বোনাসের ওয়েজারিং খুঁজুন। শতাংশ নয়, গুণক। না পেলে সেটাও উত্তর: যে ক্যাসিনো গুণক লুকায়, তার বাকি শর্তও লুকানো।
- গেমের তথ্য পাতা দেখুন। প্রতিটা গেমের ফেরতের হার সেখানে লেখা থাকে। ওই পাতাগুলো না থাকা মানে গেমগুলো মূল নির্মাতাদের নয়।
- সাপোর্টে একটা প্রশ্ন লিখুন। টাকা তোলার সীমা নিয়ে — উত্তরের গতি আর ভাষা দুইটাই তখন দেখা যায়, আর সেটা টাকা দেওয়ার আগেই।
চারটাই ফ্রি আর একসঙ্গে দশ মিনিটের কম। যে ক্যাসিনো চারটার মধ্যে দুইটাতেই আটকে যায়, তাকে নিয়ে আর সময় দেওয়ার দরকার নেই — আর যেটা চারটাই পার করে, সেটা এই তালিকায় থাকুক বা না থাকুক, কাজের।
বোনাসের ওয়েজারিং: একটা সংখ্যাই যা আসলে কাজে লাগে
র্যাঙ্কিংয়ের চেয়ে বেশি টাকার পার্থক্য এই এক জায়গায় তৈরি হয়, আর প্রায় সবাই ভুল সংখ্যাটা দেখে। বিজ্ঞাপনে শতাংশ বড় করে লেখা থাকে — ১০০%, ২০০% — কিন্তু সিদ্ধান্তটা গুণকের উপর, যেটা ছোট করে নিচে লেখা।
একই ১,০০০ টাকার বোনাস, ভিন্ন গুণকে
| গুণক | ঘোরাতে লাগে | খরচ আর যা টেকে |
| ৫ গুণ | ৫,০০০ টাকা | ১৭৫ টাকা খরচ · টেকে ৮২% |
| ১০ গুণ | ১০,০০০ টাকা | ৩৫০ টাকা খরচ · টেকে ৬৫% |
| ২০ গুণ | ২০,০০০ টাকা | ৭০০ টাকা খরচ · টেকে ৩০% |
| ৩৫ গুণ | ৩৫,০০০ টাকা | ১,২২৫ টাকা খরচ · কিছুই টেকে না |
হিসাবটা ৩.৫০% হাউস এজ থেকে বের করা: বাজিতে যাওয়া মোট টাকার ওই শতাংশটাই প্রত্যাশিত খরচ। কোনো সাইট থেকে উদ্ধৃত নয়।
শেষ সারিটা মূল কথা: ৩৫ গুণে খরচ ১,২২৫ টাকা — বোনাসের চেয়েই বেশি, তাই বোনাস পুরো মিলিয়ে যায় আর নিজের ২২৫ টাকাও যায়। এখান থেকেই অদ্ভুত ফলটা: ৫০% বোনাস ১০ গুণে ১০০% বোনাস ৩৫ গুণের চেয়ে ভালো — ৫০০ টাকা থেকে টেকে প্রায় ৩২৫, ১,০০০ টাকা থেকে কিছুই না। তাই আগে গুণক, পরে শতাংশ।
যাচাই: কেন জেতার পরে, আর কী করা যায়
প্রায় সব সাইটে কাগজপত্র চাওয়া হয় টাকা তোলার সময়, রেজিস্ট্রেশনের সময় নয়। কারণটা তাদের দিক থেকে বোধগম্য: ঢোকা যত সহজ, তত বেশি মানুষ ঢোকে; আর টাকা দেওয়ার আগে যাচাই করলে ঝুঁকি একই থাকে।
সমাধান একটাই: এনআইডির ছবি প্রথম দিনেই আপলোড করে রাখুন। কাজটা একবারের, ফ্রি, আর পরে প্রতিটা টাকা তোলা থেকে একটা পুরো ধাপ কেটে যায়। বিস্তারিত বিকাশ ও নগদ পাতায়।
ক্যাসিনো অ্যাপ নাকি মোবাইল ব্রাউজার
বেশিরভাগ ক্যাসিনো দুইভাবেই খোলে: ফোনের ব্রাউজারে লিংক লিখে, আর অ্যাপ নামিয়ে। ভেতরের জিনিস এক — একই গেম, একই ক্যাসিনো অ্যাকাউন্ট, একই পেমেন্ট অপশন। পার্থক্যটা মোড়কে, আর সেটা কয়েকটা ছোট জায়গায় টের পাওয়া যায়।
ব্রাউজারের সুবিধা: কিছু নামাতে হয় না, ফোনে জায়গা লাগে না, আর নতুন ক্যাসিনো যাচাই করার সময় এটাই দ্রুততম পথ — লিংক খুললেই ক্যাসিনোর গেমের তালিকা সামনে। অ্যাপের সুবিধা: লগইন মনে রাখে, লোড হয় দ্রুত, আর দুর্বল নেটে কম আটকায়। লাইভ বাজিতে শেষ কথাটার দাম আছে, কারণ সেখানে রেট সেকেন্ডে বদলায়।
সহজ নিয়ম: প্রথম ক্যাসিনোটা ব্রাউজারে খুলে দেখে নিন, আর যেটায় থেকে যাবেন তার অ্যাপ নামান। দুইটা ক্যাসিনো একসঙ্গে চালালে একটা অ্যাপে আর একটা ব্রাউজারে রাখলে দুই অ্যাকাউন্ট আলাদা থাকে, বারবার লগআউট করতে হয় না। অ্যাপ শুধু ক্যাসিনোর নিজের সাইট থেকেই নামানো ভালো — উপরের র্যাঙ্কিংয়ের প্রতিটা নামে ক্লিক করলে সেই সাইটের লিংক পাওয়া যায়।
কেন এখানে বারোটি নাম, ত্রিশটি নয়
রেটিংয়ের ক্রম আসে চারটা আলাদা বিষয়ে দেওয়া নম্বর থেকে, আর সেই নম্বরগুলো ওঠে অপারেটর নিজে যা প্রকাশ করেছে তা থেকে — খেলার তালিকা, শর্তের পাতা, অ্যাপের বিবরণ। কে কত দেয় তার সঙ্গে ক্রমের সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশের বাজারে এতগুলো জায়গাতেই ইন্টারফেস, গেমের তালিকা আর শর্ত একসঙ্গে দাঁড়ায় — বাকিগুলো হয় একই জিনিস অন্য নামে, নয়তো এমন শর্তে চলে যা না পড়ে মেনে নেওয়া উচিত নয়।
ক্রমও সারাজীবনের নয়। কোথাও টাকা তোলা আটকালে বা শর্ত কড়া হলে সেটা নিচে নামে — সেজন্যই পাতার মাথায় তারিখ দেওয়া, আর স্কোর দশমিকের পরে আর ভাঙা হয় না। যে হিসাব প্রমাণ করা যায় না, সেটা শুধু দেখতে ভালো।
যা বদলায় না: উপরের টেবিলের সংখ্যাগুলো। হাউস এজ খেলার নিয়ম থেকে আসে, কে চালাচ্ছে তার থেকে নয়।
সাধারণ প্রশ্ন
এই র্যাঙ্কিং কীভাবে তৈরি হলো?
চারটা জিনিস দেখে, আর চারটাই রেজিস্ট্রেশনের আগে যাচাই করা যায়: গেমের তালিকা, ইন্টারফেস, শর্তের স্পষ্টতা আর বাংলা সাপোর্ট। প্রতিটা নম্বরের পেছনে ওই চারটা আলাদা উপ-নম্বর থাকে, আর সেগুলো প্রতিটা রিভিউর প্রথম পর্দাতেই খোলা — রেটিং আমাদের নিজের, ব্যবহারকারীর ভোটে নয়, টাকার বিনিময়েও নয়।
বাংলাদেশের সেরা ক্যাসিনো সাইট কোনটা?
প্রশ্নটা এভাবে উত্তর দেওয়া যায় না, কারণ সবাই একই জিনিস খোঁজে না। ক্রিকেট বাজিতে Jaya9, অ্যাপে Krikya, স্লটে Babu88। উপরের “কীসের জন্য” টেবিলটা ঠিক এটাই ভাগ করে দেখায়।
বিকাশ দিয়ে কোন সাইটে টাকা জমা দেওয়া যায়?
তালিকার প্রায় সবগুলোতেই বিকাশ চলে, আর বেশিরভাগে নগদও। কিন্তু জমা আর টাকা তোলার তালিকা সবসময় এক নয় — কোন মাধ্যমে টাকা তোলা যাবে, সেটা টাকা জমা ও তোলার পাতায় আলাদা করে লেখা থাকে। বিস্তারিত বিকাশ ও নগদ পাতায়।
সাইট বাছাই কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
র্যাঙ্কিংয়ের সাইট ঠিক করে দেয় কোন খেলাগুলো আপনার হাতের কাছে থাকবে, আর টাকা কত ধাপে আসা-যাওয়া করবে — সেই দুইটাই এই তালিকার মাপকাঠি। তার পরের সিদ্ধান্তটা খেলার: একই ১০০ টাকার বাজিতে সর্বোচ্চ পেআউট ২০০ টাকা থেকে ৫ লাখ টাকা, আর হাউস এজ ০.৫% থেকে ৫.২৬%।
কেন এখানে “১৫ মিনিটে টাকা তোলা” লেখা নেই?
কারণ বাইরে থেকে সেটা যাচাই করা যায় না, আর সাইটের শর্ত যত দ্রুত বদলায়, কোনো লেখা তত দ্রুত হালনাগাদ হয় না। যা যাচাই করা যায়, সেটাই এখানে আছে।
লগইন করতে না পারলে?
তিনটা সাধারণ কারণ: সাইটের লিংক বদলেছে, পাসওয়ার্ড ভুল, বা যাচাই বাকি। প্রথমে পাসওয়ার্ড রিসেট, তারপর সাইটের নিজের বর্তমান ঠিকানা — লিংক বদলালে পুরনোটা খোলে না। যারা নিয়মিত খেলে, তাদের দ্বিতীয় একটা অ্যাকাউন্ট এই কারণেই খোলা থাকে।