হিসাবbd

লটারি

ডিয়ার, রাজ্য, ধনকেশরী — নামগুলো আলাদা, ড্র হয় ভারতের রাজ্যগুলোতে। ৬ রুপির টিকিটে প্রথম পুরস্কার ১ কোটি রুপি, আর সেই একই তালিকায় আরও ৮,৪৭,৬৯৯টা পুরস্কার, যার বেশির ভাগই ১২০ রুপি-র।

· সম্পাদক · প্রকাশিত

হালনাগাদ ১৪ অক্টোবর ২০২৬টিকিট ৬ রুপিআজকের ফলাফল এই পাতায় নেই

বাংলাদেশ থেকে যে লটারির নামগুলো সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়, সেই লটারির ড্র হয় ভারতের রাজ্যগুলোতে — নাগাল্যান্ড, সিকিম, পশ্চিমবঙ্গ। নামগুলো আলাদা শোনায়, কিন্তু পিছনের ব্যবস্থাটা একই রকম।

একটা কথা শুরুতেই: আজকের লটারির ফলাফল এই পাতায় নেই। নম্বর আসে ওই রাজ্যগুলোর নিজস্ব ঘোষণা থেকে, আর সেই লাইভ ফিড আমাদের হাতে নেই। পুরোনো নম্বরকে আজকের বলে চালানোর চেয়ে এটা বলে দেওয়া সোজা।

যা এই পাতায় আছে, সেটা ফলাফলের তালিকায় কোথাও লেখা থাকে না: কোন লটারি কোন রাজ্যের, ছয় ভারতীয় রুপির টিকিটে পুরস্কারের ধাপগুলো কেমন, এক ড্রয়ে সব মিলিয়ে কত দেওয়া হয়, আর বাংলাদেশ থেকে টিকিট হাতে পাওয়ার উপায় আছে কি না।

নম্বর মেলানোর খেলা, যেখানে হিসাব পরিষ্কার — ৮০ ঘর থেকে ২০টা ওঠে, ড্র কয়েক মিনিট পরপর

কোন লটারি কোন রাজ্যের

লটারির নাম নিয়ে গোলমালটাই সবচেয়ে বড়, আর সেটা এক তালিকাতেই পরিষ্কার হয়ে যায়।

চেনা লটারির নাম — কোনটা কোন রাজ্যের
নামকোন রাজ্যেরআসলে কী
ডিয়ার লটারিনাগাল্যান্ডরাজ্য লটারির স্কিমের নাম
রাজ্য লটারিপশ্চিমবঙ্গরাজ্য মানে প্রদেশ — পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য লটারি
ধনকেশরীতিন রাজ্য একসঙ্গেফলাফল প্রকাশের সাইটের নাম, নিজে কোনো লটারি নয়
মর্নিং, ডে, নাইটসব জায়গায়ড্রয়ের সময়ের নাম — দিনে তিন বেলা ড্র হয়

ধনকেশরী সারিটা সবচেয়ে কাজের: ওটা কোনো লটারির নাম নয়, ওটা ফলাফল প্রকাশের সাইটের নাম — তাই এক নামের নিচে তিন রাজ্যের লটারির ড্র একসঙ্গে দেখা যায়।

এর মানে “মর্নিং লটারি” আর “নাইট লটারি” দুইটা আলাদা লটারি নয়, একই ব্যবস্থার দুইটা বেলা। পুরস্কারের ধাপ দুই বেলায় একই, আলাদা শুধু ড্রয়ের সময়।

৬ রুপির টিকিট, আর পুরস্কারের সব ধাপ

লটারির বিজ্ঞাপনে একটা সংখ্যা থাকে — এক কোটি রুপি। প্রকাশিত তালিকায় সংখ্যা আরও অনেক, আর নিচের দিকের সারিগুলোই আসলে বেশি ঘটে।

৬ রুপির টিকিট: প্রকাশিত ধাপগুলো, পাশে কত গুণ
পুরস্কারকত রুপিটিকিটের কত গুণকয়জন পানমন্তব্য
১ম৯৯,০০,০০০ রুপি১৬,৫০,০০০ গুণ১সঙ্গে সুপার প্রাইজ ১ লাখ রুপি, মিলিয়ে ১ কোটি রুপি
২য়৯,০০০ রুপি১,৫০০ গুণ৭,০০০সাত হাজার জন পান
৩য়৫০০ রুপি৮৩ গুণ৭০,০০০সত্তর হাজার জন
৪র্থ২৫০ রুপি৪২ গুণ৭০,০০০সত্তর হাজার জন
৫ম১২০ রুপি২০ গুণ৭,০০,০০০সাত লাখ জন — সবচেয়ে বেশি যেটা লাগে
সান্ত্বনা পুরস্কার১,০০০ রুপি১৬৭ গুণ৬৯৯ছয়শো নিরানব্বই জন
মোট২১,০১,৯৯,০০০ রুপি—৮,৪৭,৭০০সুপার প্রাইজ ধরে

মোট সারিটা আমাদের যোগফল: প্রতিটা পুরস্কারকে তার বিজয়ীর সংখ্যা দিয়ে গুণ করে সব যোগ করা। তৃতীয় কলামটাও ভাগের: পুরস্কারের অঙ্ককে ৬ দিয়ে ভাগ করা।

তৃতীয় কলাম পড়লে ধাপগুলো সোজা হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি যেটা লাগে, সেই ৫ম পুরস্কার দেয় টিকিটের ২০ গুণ — ১২০ রুপি, আর ওটা পান সাত লাখ জন। ২য় পুরস্কার দেয় ১,৫০০ গুণ। আর ১ম পুরস্কার ১৬,৫০,০০০ গুণ, কিন্তু সেটা একটাই।

তাই তালিকাটা নিচ থেকে পড়া দরকার। উপরে একটা পুরস্কার, নিচে সাত লাখ — আর লটারির আসল চেহারা নিচের সারিটা, উপরেরটা নয়। যে ১২০ রুপি পায়, সে ওই সাত লাখের একজন; আর ৯৯ লাখ রুপি পায় এক ড্রয়ে একজন, যার সিরিয়াল নম্বর ০০০০০ থেকে ৯৯৯৯৯-এর মধ্যে পড়ে — এক সিরিজেই ১,০০,০০০টা সম্ভাব্য নম্বর।

বাংলাদেশ থেকে লটারির টিকিট হাতে পাওয়ার উপায়

লটারির টিকিটটা ছাপা কাগজ, আর বিক্রি করে ওই রাজ্যগুলোর লাইসেন্সধারী এজেন্টরা — দোকানে, বাজারে, রাস্তার পাশের টেবিলে। বাংলাদেশে সেই এজেন্ট নেই।

আর কাগজটা এখানে শুধু কাগজ নয়, ওটাই দাবির একমাত্র ভিত্তি: নম্বর মিলে গেলে টিকিট দেখিয়ে টাকা নিতে হয়। নম্বরের স্ক্রিনশট দিয়ে কিছু হয় না।

তাই যে সাইট বা যে লোক “অনলাইনে টিকিট কেটে দিচ্ছি” বলে টাকা নেয়, সে আপনাকে টিকিট বেচছে না — সে আশা বেচছে। নম্বর মিলে গেলে কে দেবে, সেটা তার কথার উপর, আর নালিশ করার জায়গাও নেই।

ন্যাশনাল লটারি বা আমেরিকার লটারির পাতাগুলোর ক্ষেত্রে নিয়মটা হুবহু একই: টিকিট ওই দেশের বাসিন্দার জন্য, আর বাইরে থেকে “কিনে দেওয়া”র প্রস্তাবের পিছনে কোনো এজেন্ট নেই।

যেখানে নম্বর ওঠে চোখের সামনে — বিকাশ ও নগদে জমা, জেতা টাকা নিজের নম্বরেই

নম্বরের খেলা, যার হিসাব পরিষ্কার

লটারির আসল মজাটা নম্বর মেলানোয়, আর সেটার জন্য কাগজের টিকিট লাগে না। ক্যাসিনোর নম্বর গেমে ছকটা চোখের সামনেই থাকে, আর গোনাও যায়।

৮০ ঘরের ছক, আর তার মধ্যে ওঠা ২০টা১২৩৪৫৬৭৮৯১০১১১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০২১২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১৩২৩৩৩৪৩৫৩৬৩৭৩৮৩৯৪০৪১৪২৪৩৪৪৪৫৪৬৪৭৪৮৪৯৫০৫১৫২৫৩৫৪৫৫৫৬৫৭৫৮৫৯৬০৬১৬২৬৩৬৪৬৫৬৬৬৭৬৮৬৯৭০৭১৭২৭৩৭৪৭৫৭৬৭৭৭৮৭৯৮০১২৩৪৫৬৭৮৯১০
রঙ করা ঘরগুলো এক ড্রয়ে ওঠা ২০টা নম্বর। ছকের চার ভাগের এক ভাগ প্রতি ড্রয়েই ওঠে — তাই একটা নম্বর ধরলে লাগার সম্ভাবনাও চার ভাগের এক ভাগ।

চালু নিয়মটা এমন: ছকে ৮০টা ঘর, এক ড্রয়ে ওঠে ২০টা, আর আপনি কয়টা নম্বর ধরবেন সেটা নিজে বাছেন। এখানে অনুমানের কিছু নেই — হিসাবটা শেষ পর্যন্ত মিলিয়ে দেখা যায়।

যতগুলো নম্বর ধরলেন, তার সবগুলো লাগার হিসাব
কয়টা নম্বর ধরলেনসবগুলো লাগেকত বারে একবার
১টা২৫.০০ শতাংশ৪ বারে ১
২টা৬.০১ শতাংশ১৭ বারে ১
৩টা১.৩৯ শতাংশ৭২ বারে ১
৪টা০.৩১ শতাংশ৩২৬ বারে ১
৫টা০.০৬ শতাংশ১,৫৫১ বারে ১

হিসাবটা এমন: ২০টা থেকে যতগুলো বাছা যায়, সেটা ভাগ করা হয় ৮০টা থেকে ততগুলো বাছার উপায় দিয়ে। ছবিটাই অর্ধেক কথা বলে দেয় — রঙ করা ঘর ছকের চার ভাগের এক ভাগ।

পার্থক্যটা এক নম্বর আর পাঁচ নম্বরের মধ্যে বিশাল, আর সেটাই আসল কাজের কথা: এক নম্বরে চার ভাগের এক ভাগ, পাঁচ নম্বরে দেড় হাজারে একবার। বেশি নম্বর ধরলে গুণ বাড়ে, সুযোগ ছোট হয় — ঠিক লটারির ধাপগুলোর মতো, শুধু এখানে সম্ভাবনাটা আগে থেকে গোনা, আর কাগজের টিকিটও লাগে না।

একটা কলাম এই তালিকায় নেই, আর সেটা লুকিয়ে না রেখে বলে দেওয়াই ঠিক: কয়টা নম্বর লাগলে কত গুণ। গুণটা গেম অনুযায়ী আলাদা, আর বাইরে থেকে পড়ার উপায় নেই — সেটা লেখা থাকে গেমের নিজের স্ক্রিনেই, ঠিক নম্বরের সংখ্যার পাশে। লটারির ধাপগুলো আগে থেকে ছাপা থাকে, এখানে ধাপগুলো গেমেই দেখে নিতে হয় — তফাত এটুকুই।

আর যেটা কাগজের টিকিটে কোনোদিন পাবেন না: ড্র হয় কয়েক মিনিট পরপর, ফলাফল আসে স্ক্রিনেই, আর পরের দিনের ঘোষণার জন্য বসে থাকতে হয় না। কোন গেমে কত ফেরত আসে, সেই ছকটা পাশের পাতায় দেওয়া আছে।

টাকার দিকটাও চেনা: অ্যাকাউন্ট খোলা যায় টাকায় — রুপির দরকার নেই — আর জমা ও তোলা বিকাশ, নগদ আর রকেটে, জেতা টাকা আসে আপনার নিজের নম্বরেই। কোন সাইটে কী আছে — সাইটের তালিকা পাতায় পাশাপাশি দেওয়া আছে।

নম্বর ওঠে চোখের সামনে — পরের দিনের ঘোষণার জন্য বসে থাকতে হয় না

সাধারণ প্রশ্ন

ডিয়ার, রাজ্য আর ধনকেশরী — এগুলো আলাদা লটারি?

ডিয়ার নাগাল্যান্ড রাজ্য লটারির স্কিমের নাম, রাজ্য লটারি মানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের লটারি, আর ধনকেশরী নিজে কোনো লটারি নয় — ওটা ফলাফল প্রকাশের সাইটের নাম, যেখানে নাগাল্যান্ড, সিকিম আর পশ্চিমবঙ্গের ড্র একসঙ্গে দেওয়া হয়।

মর্নিং, ডে আর নাইট লটারির পার্থক্য কী?

পুরস্কারের ধাপ একই, আলাদা শুধু ড্রয়ের সময়। দিনে তিন বেলা ড্র হয় — সকাল, দুপুর আর রাত — আর নামটাই বলে দেয় কোন বেলার ফলাফল। রাজ্য বদলালে ঘড়ির কাঁটা একটু সরে, কিন্তু বেলা তিনটাই থাকে।

৬ রুপির টিকিটে ১ কোটি — এটা সত্যি?

সংখ্যাটা সত্যি, আর সেটাই এই লটারির প্রকাশিত প্রথম পুরস্কার: ৯৯,০০,০০০ রুপি সঙ্গে ১,০০,০০০ রুপি সুপার প্রাইজ। যেটা বিজ্ঞাপনে থাকে না, সেটা হলো ওই একটা পুরস্কারের পাশে তালিকায় আরও ৮,৪৭,৬৯৯টা পুরস্কার আছে, আর তার বেশির ভাগই ১২০ রুপি-র।

এক ড্রয়ে মোট কত পুরস্কার দেওয়া হয়?

প্রকাশিত তালিকা যোগ করলে ৮,৪৭,৭০০টা পুরস্কার, আর সব মিলিয়ে ২১,০১,৯৯,০০০ রুপি। এটা আমাদের যোগফল, উদ্ধৃতি নয় — তালিকার প্রতিটা সারি গুণ করে যোগ করা।

বাংলাদেশ থেকে টিকিট কেনা যায়?

টিকিট ছাপা কাগজের, আর বিক্রি হয় ওই রাজ্যগুলোর লাইসেন্সধারী এজেন্টদের কাছে। বাংলাদেশে সেই এজেন্ট নেই, আর কাগজের টিকিট ছাড়া দাবি করার কিছুও থাকে না — নম্বর মিলে গেলেও হাতে প্রমাণ লাগে।

nationallottery বা lotteryusa — এগুলো কী?

ভিন্ন দেশের লটারি আর তাদের ফলাফলের পাতা: একটা ব্রিটেনের, একটা যুক্তরাষ্ট্রের। টিকিট ওই দেশের বাসিন্দাদের জন্য, আর বাইরে থেকে কেনার কথা বলা সাইটগুলো টিকিট বেচে না — তারা আশা বেচে।

তাহলে সংখ্যা মেলানোর খেলা আর কোথায় আছে?

ক্যাসিনোর নম্বর গেমে, আর ওখানে হিসাবটা পরিষ্কার: ৮০ ঘরের ছক থেকে ২০টা ওঠে, তাই একটা নম্বর লাগার সম্ভাবনা গোনা যায় — ২৫ শতাংশ। ড্র কয়েক মিনিট পরপর, আর ফলাফল স্ক্রিনেই।

এই পাতায় আজকের ফলাফল আছে?

নেই। ফলাফল আসে ওই রাজ্যগুলোর নিজস্ব ঘোষণা থেকে, আর আমাদের কাছে সেই লাইভ ফিড নেই। পুরোনো নম্বর আজকের বলে চালানোর চেয়ে সোজা কথাটা বলে দেওয়াই ভালো।

সম্পর্কিত পাতা

Crazy TimeTeerTeen Pattiক্যাসিনো গেমCrickex অ্যাকাউন্টCrickex লগইন
নম্বরের খেলা, হিসাব পরিষ্কার৮০ ঘর থেকে ২০টা ওঠে, ড্র কয়েক মিনিট পরপর
খেলুন