হিসাবbd

Teer

টিয়ারে ৫০ জন তীরন্দাজ তীর ছোড়েন, লক্ষ্যে বিঁধে থাকা তীর গোনা হয়, আর শেষ দুই অঙ্কই ফলাফল। সংখ্যা ১০০টা, লাগে একটা, আর লাগলে ৮০ গুণ — দুইটা সংখ্যা পাশে রাখলেই পুরো ছবিটা পরিষ্কার।

· সম্পাদক · প্রকাশিত

হালনাগাদ ১৪ অক্টোবর ২০২৬সংখ্যা ০০ থেকে ৯৯আজকের ফলাফল এই পাতায় নেই

টিয়ার (বাংলায় তীর) মেঘালয়ের খেলা, আর নামটা সোজা কথাটাই বলে। শিলংয়ের মাঠে ৫০ জন তীরন্দাজ ধনুক নিয়ে দাঁড়ান, খড়ের গোল চাকতিতে তীর ছোড়েন, তারপর বিঁধে থাকা তীর গোনা হয়। সেই গোনা সংখ্যার শেষ দুই অঙ্কই দিনের ফলাফল।

প্রথমেই একটা কথা পরিষ্কার করে নিই: আজকের সংখ্যা এই পাতায় নেই। ফলাফল ঘোষণা হয় কাউন্টারে, রাউন্ড শেষ হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে, আর কাউন্টারের লাইভ ফিড আমাদের হাতে নেই। পুরোনো সংখ্যাকে আজকের বলে চালানোর চেয়ে এটা বলে দেওয়া সোজা।

যা এই পাতায় আছে, সেটা কাউন্টারের বাইরে কোথাও লেখা থাকে না: কোন বাজিতে কত ফেরে, কমন নম্বরের দশটা সংখ্যা হাতে নিলে অঙ্কটা কোথায় যায়, আর বাংলাদেশ থেকে একই ধরনের বাজি আর কোথায় ধরা যায়। পুরোটাই গুণ-ভাগের কাজ, আর নিজেও মিলিয়ে নিতে পারেন।

যেখানে বাজিটা আপনার নিজের অ্যাকাউন্টেই জমা থাকে — ফল স্ক্রিনেই, আর জেতা টাকা আসে আপনার বিকাশ নম্বরে

টিয়ারের সংখ্যাটা কোথা থেকে আসে

টিয়ারে দুইটা রাউন্ড, আর দুইটায় তীরের সংখ্যা আলাদা। প্রথম রাউন্ডে প্রত্যেক তীরন্দাজের হাতে ৩০টা তীর, দ্বিতীয়টায় ২০টা। পঞ্চাশ দিয়ে গুণ করলে প্রথম রাউন্ডে মাঠে ছোড়া হয় ১,৫০০ তীর, দ্বিতীয়টায় ১,০০০।

গোনা হয় শুধু বিঁধে থাকা তীর, আর তার শেষ দুই অঙ্ক বোর্ডে ওঠে। ৬৪৭টা বিঁধলে টিয়ারের ফলাফল ৪৭। ঠিক ৮০০টা বিঁধলে ০০। মাত্র ৯টা বিঁধলে ০৯। এর মধ্যে কোনো সূত্র নেই, কোনো ড্র নেই — আছে শুধু গোনা।

গোনা শেষ, বোর্ডে ওঠে দুই অঙ্ক৬৪৭ধরা যাক ৬৪৭টা তীর বিঁধেছে — বোর্ডে ওঠে ৪৭

দুইটা রাউন্ড আলাদা করে গোনা হয়, তাই একটা বাজি একটা রাউন্ডেরই। প্রথম রাউন্ডে ধরা সংখ্যা দ্বিতীয় রাউন্ডে কাজে লাগে না — ওটা নতুন গোনা, নতুন বাজি। টিয়ারে প্রতিবারই আপনার সামনে একশোটা সম্ভাব্য সংখ্যা, আর হাতে একটা।

কোন মাঠ কখন, বাংলাদেশের ঘড়িতে

নাম তিনটা আলাদা মাঠের: শিলং টিয়ার, খানাপাড়া টিয়ার আর নাইট টিয়ার। সময়গুলো ভারতীয় ঘড়ির, আর বাংলাদেশের ঘড়ি তার চেয়ে আধ ঘণ্টা আগে — তাই দুইটা কলাম পাশে রাখা।

রাউন্ড ঘোষণার সময় ঘণ্টা-মিনিটে, দুই ঘড়িতে
খেলারাউন্ডভারতের সময়বাংলাদেশের সময়
শিলং টিয়ারপ্রথম রাউন্ডবিকেল ৩টা ৪৫বিকেল ৪টা ১৫
শিলং টিয়ারদ্বিতীয় রাউন্ডবিকেল ৪টা ৪৫বিকেল ৫টা ১৫
খানাপাড়া টিয়ারপ্রথম রাউন্ডবিকেল ৪টা ১৫বিকেল ৪টা ৪৫
খানাপাড়া টিয়ারদ্বিতীয় রাউন্ডবিকেল ৫টা ০০বিকেল ৫টা ৩০
নাইট টিয়ারপ্রথম রাউন্ডরাত ১১টা ১০রাত ১১টা ৪০
নাইট টিয়ারদ্বিতীয় রাউন্ডরাত ১২টা ১০রাত ১২টা ৪০

নাইট টিয়ারের দ্বিতীয় রাউন্ড মাঝরাতের পরে, অর্থাৎ পরের তারিখে। সময়গুলো ঘোষণার, গোনা শেষ হওয়ার নয় — কাউন্টারে দেরি হয়, আর ভিড়ের দিনে বেশিই হয়।

সোম থেকে শনি খেলা হয়। রবিবার আর মেঘালয়ের সরকারি ছুটিতে মাঠ বন্ধ, তাই ওই দিনের কোনো টিয়ার ফলাফলও নেই। কোনো তালিকায় রবিবারের ঘরেও সংখ্যা দেখলে বুঝবেন, সেটা কাউন্টার থেকে আসেনি।

টিয়ারে একশো ঘর, আর ৮০ গুণের আসল দাম

এখানেই পুরো টিয়ার এক লাইনে বসে যায়। ফলাফল হতে পারে ০০ থেকে ৯৯ — গুনে ঠিক একশোটা সংখ্যা। আপনি একটা ধরেন। লাগলে কাউন্টার দেয় ৮০ গুণ।

০০ থেকে ৯৯: একশোটা ঘর, আর কমন নম্বরের দশটা০০০১০২০৩০৪০৫০৬০৭০৮০৯১০১১১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০২১২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১৩২৩৩৩৪৩৫৩৬৩৭৩৮৩৯৪০৪১৪২৪৩৪৪৪৫৪৬৪৭৪৮৪৯৫০৫১৫২৫৩৫৪৫৫৫৬৫৭৫৮৫৯৬০৬১৬২৬৩৬৪৬৫৬৬৬৭৬৮৬৯৭০৭১৭২৭৩৭৪৭৫৭৬৭৭৭৮৭৯৮০৮১৮২৮৩৮৪৮৫৮৬৮৭৮৮৮৯৯০৯১৯২৯৩৯৪৯৫৯৬৯৭৯৮৯৯
একশোটা ঘর, আর তার মধ্যে রঙ করা দশটা — একটা কমন নম্বরের তালিকা এই একশোর কতটা দখল করে, ছবিটা সেটাই দেখায়।

একশো বার ধরলে গড়ে একবার লাগে, আর সেই একবারে ফেরে ৮০ গুণ। অর্থাৎ একশো টাকা গেলে আশি টাকা ঘুরে আসে, বাকি বিশ কাউন্টারের ভাগ। এটা লুকানো কিছু নয় — এটা শুধু কোথাও লেখা থাকে না।

কাউন্টারের তিন ধরনের বাজি, পাশে ফেরতের হিসাব
বাজিরেটলাগার সম্ভাবনাফেরতের হার
প্রথম রাউন্ড (FR)৮০ গুণ১০০-এ ১৮০.০ শতাংশ
দ্বিতীয় রাউন্ড (SR)৬০ গুণ১০০-এ ১৬০.০ শতাংশ
ফোরকাস্ট (এফসি)৪,০০০ গুণ১০,০০০-এ ১৪০.০ শতাংশ

হিসাবটা একটা ভাগের অঙ্ক: রেটকে ভাগ করুন সম্ভাব্য সংখ্যা দিয়ে। ১০০ দিয়ে ৮০ ভাগ, ১০০ দিয়ে ৬০ ভাগ, আর ফোরকাস্টে ১০,০০০ দিয়ে ৪,০০০ ভাগ — দুই রাউন্ড মিলিয়ে সম্ভাবনা দশ হাজারে একটা।

সারিগুলো পড়লে একটা জিনিস চোখে পড়ে: রেট যত বড়, ফেরত তত ছোট। টিয়ারের ফোরকাস্টে চার হাজার গুণ শুনতে সবচেয়ে বড়, অথচ কাউন্টারের ভাগ ওখানেই সবচেয়ে মোটা। বড় সংখ্যাটা বিজ্ঞাপন, আর বিজ্ঞাপনের দামটা ওই কলামেই লেখা আছে।

একটা নম্বরে বাজি, ফল সঙ্গে সঙ্গে — বিকেল পর্যন্ত বসে থাকার দরকার নেই

কমন নম্বরের তালিকা কী বদলায়

কাউন্টারের আশপাশে আর ফেসবুক গ্রুপে যে তালিকাগুলো ঘোরে, সেগুলো তৈরি হয় আগের সাত, ত্রিশ বা নব্বই দিনের টিয়ার ফলাফল দেখে — কোন অঙ্ক বেশি বার এসেছে, কোনটা অনেক দিন আসেনি। সঙ্গে থাকে স্বপ্নে পাওয়া নম্বর আর নিজের বানানো সূত্র।

দুইটা শব্দ এখানে বারবার আসে। হাউস মানে ফলাফলের প্রথম অঙ্ক, এন্ডিং মানে শেষ অঙ্ক: ফলাফল ৭৩ হলে হাউস ৭, এন্ডিং ৩। টিয়ার কাউন্টারে এগুলোর উপরেও বাজি নেওয়া হয়, আলাদা রেটে।

কিন্তু পরের রাউন্ডে ছোড়া হয় নতুন তীর, আর গোনা শুরু হয় শূন্য থেকে। আগের সপ্তাহের ফলাফল সেই গোনায় কোনো প্রভাব ফেলে না — তীর আগের কিছু মনে রাখে না। তাই টিয়ারে তালিকা ভবিষ্যদ্বাণী করে না, শুধু বাজিটা ভাগ করে: একটার জায়গায় দশটা।

উপরের ঘরের ছবিতে রঙ করা দশটা ঘর ঠিক সেটাই দেখায়। দশটা সংখ্যা ধরলে লাগার সম্ভাবনা দশ ভাগের এক — ভালো শোনায়। কিন্তু বাজিও দশটা: ১,০০০ টাকা যায়, আর লাগলে ফেরে ৮,০০০ টাকা। দশ গুণ বেশি দিয়ে দশ গুণ বেশি সম্ভাবনা কেনা হলো, আর কাউন্টারের ভাগটা যেখানে ছিল সেখানেই রইল।

এটা তালিকার বিরুদ্ধে কথা নয়, তালিকার দাম নিয়ে কথা। যে বলে “আজকের সংখ্যা পাক্কা”, সে এমন কিছু বিক্রি করছে যার মালিক সে নয়। মাঠে কত তীর বিঁধবে, সেটা মাঠেই ঠিক হয়।

যেখানে ফলাফল স্ক্রিনেই আসে — প্রতি রাউন্ড চোখের সামনে, আর বিকাশ ও নগদে সাথে সাথে জমা

টিয়ার কাউন্টার: টিকিট আসলে কোথায় বিক্রি হয়

টিয়ার কাউন্টার হলো লাইসেন্স নিয়ে বসা দোকান, আর বাজি নেওয়ার অনুমতি শুধু তাদেরই আছে। পুরো ব্যবস্থাটা চালায় খাসি হিলস আর্চারি স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন, আর আইনের নাম মেঘালয় অ্যামিউজমেন্ট অ্যান্ড বেটিং ট্যাক্স অ্যাক্ট ১৯৮২। শিলং আর আশপাশের শহরে এই দোকানগুলোতেই হাজারো লোকের কাজ।

এখানে একটা সীমা আছে, আর সেই সীমাটা জায়গার: কাউন্টার বসে শুধু মেঘালয়ে, আর অনলাইনে টিকিট বিক্রির অনুমতি কোনো সাইটের বা অ্যাপের নেই। অর্থাৎ বাংলাদেশে এমন কোনো জায়গা নেই যার খাতায় আপনার বাজিটা লেখা থাকে।

এর মানে সোজা: বাংলাদেশ থেকে টিয়ারের টিকিট কাটার বৈধ রাস্তা নেই। যে সাইট বা যে লোক অনলাইনে টিয়ারের টিকিট বেচার কথা বলে, তার পিছনে কোনো লাইসেন্স নেই, কোনো কাউন্টার নেই, আর টাকা আটকালে নালিশ করার জায়গাও নেই। নম্বর মিলে গেলেও কে দেবে, সেটা তার মর্জি।

তাই দুইটা প্রশ্ন আলাদা করে ফেলা দরকার। “টিয়ারের ফলাফল কত হলো” — সেটা কাউন্টারের খবর। “আমার হাতের টাকা দিয়ে আজ কোথায় বাজি ধরা যায়” — সেটা অন্য প্রশ্ন, আর তার উত্তর নিচে।

একই রকম বাজি, অন্য ফেরত

একটা নম্বরে বাজি ধরার শখটা তো যায় না, আর যাওয়ার দরকারও নেই। টিয়ারের মতো একটা নম্বরে বাজি অনলাইনেও আছে, শুধু কাউন্টারের ভাগটা অন্য জায়গায় দাঁড়ানো।

একশো টাকার বাজিতে কত ঘুরে আসেটিয়ার, ফোরকাস্ট৪০.০ শতাংশটিয়ার, দ্বিতীয় রাউন্ড৬০.০ শতাংশটিয়ার, প্রথম রাউন্ড৮০.০ শতাংশইউরোপিয়ান রুলেট, এক নম্বরে৯৭.৩ শতাংশ

ইউরোপিয়ান রুলেটে ৩৭টা ঘর, আপনি একটা ধরেন, আর লাগলে হাতে আসে বাজিসহ ৩৬ গুণ — ১০০ টাকা ধরলে ৩,৬০০ টাকা। সংখ্যা ৮০-র চেয়ে ছোট, অথচ হিসাবটা অনেক ভালো, কারণ ঘর ১০০ নয়, ৩৭।

আর যেটা টিয়ার কাউন্টারে কোনোদিন পাবেন না: চাকা ঘোরে চোখের সামনে, ফল আসে সঙ্গে সঙ্গে, আর পরের রাউন্ডের জন্য বিকেল পর্যন্ত বসে থাকতে হয় না। কোন গেমে কত ফেরে — পুরো টেবিলটা আলাদা পাতায় দেওয়া আছে, আর Crazy Time-এর মতো শোতে ফলাফল ঘোষণা করেন সত্যিকারের উপস্থাপক।

এখানে টাকা ফেরার রাস্তাটাও খোলা: জেতা টাকা আসে আপনার নিজের বিকাশ বা নগদ নম্বরে — যে নম্বর থেকে জমা দিয়েছেন, সেই নম্বরেই। কাউন্টারের মতো কারও মর্জির উপর কিছু থাকে না: টাকা তোলার অনুরোধ আপনার অ্যাকাউন্ট থেকেই যায়, আর কোন সাইটে কী নিয়ম — সাইটের তালিকা পাতায় পাশাপাশি রাখা।

টিয়ার ওই এলাকার খেলা, আর এলাকাতেই থাকে। হাতের টাকা দিয়ে আজ সন্ধ্যায় একটা নম্বরে বাজি ধরতে চাইলে রাস্তাটা অন্য, আর সেই রাস্তায় ফেরত প্রায় ১৭ শতাংশ বেশি।

সাধারণ প্রশ্ন

আমি যার হাত দিয়ে বাজি ধরি, সে কি কাউন্টার?

কাউন্টার বসে মেঘালয়ে, তাই বাংলাদেশে যে টাকা নেয় সে কাউন্টার নয় — সে মাঝখানের লোক। পরখ করার উপায় একটাই: টিকিট বা বাজির কোনো কাগজ আপনার হাতে আসে কি না। না এলে যা আছে তা মুখের কথা, আর নম্বর মিলে গেলে কে দেবে সেটাও মুখের কথাই থাকে।

এই পাতায় আজকের ফলাফল আছে?

নেই, আর সেটা ইচ্ছে করেই। ফলাফল ঘোষণা হয় মেঘালয়ের কাউন্টারে, রাউন্ড শেষ হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে, আর কাউন্টারের লাইভ ফিড আমাদের কাছে নেই। পুরোনো সংখ্যা আজকের বলে চালানোর চেয়ে সোজা কথাটা বলে দেওয়াই ভালো।

বাংলাদেশ থেকে টিয়ারের টিকিট কাটা যায়?

আইনত যায় না। টিকিট বিক্রি হয় শুধু মেঘালয়ের লাইসেন্সধারী কাউন্টারে, আর অনলাইনে টিকিট বিক্রির অনুমতি কারও নেই। যেসব সাইট বা লোক অনলাইনে টিয়ারের টিকিট বেচার কথা বলে, তাদের পিছনে কোনো লাইসেন্স নেই — টাকা দিলে ফেরানোর জায়গাও নেই।

৮০ গুণ শুনতে বড়, আসলে কত?

সংখ্যা ১০০টা, লাগে একটা — অর্থাৎ ১০০ বারে একবার। সেই একবারে ফেরে ৮০ গুণ, তাই একশো বাজির হিসাবে ফেরত ৮০.০ শতাংশ। বাকিটা কাউন্টারের ভাগ। দ্বিতীয় রাউন্ডে রেট ৬০, তাই ফেরত আরও কম — ৬০.০ শতাংশ।

কমন নম্বরের তালিকা কি কাজ করে?

প্রতিটা রাউন্ডে নতুন তীর, নতুন গোনা — আগের সংখ্যা পরের রাউন্ডের উপর কিছু করে না। দশটা সংখ্যা ধরলে লাগার সম্ভাবনা ১০ ভাগের ১, কিন্তু বাজিও দশটা। ১,০০০ টাকা গিয়ে ফেরে ৮,০০০ টাকা — মানে হিসাবটা ঠিক আগের জায়গাতেই থাকে।

হাউস আর এন্ডিং নম্বর মানে কী?

ফলাফলের প্রথম অঙ্কটা হাউস, শেষ অঙ্কটা এন্ডিং। ফলাফল ৭৩ হলে হাউস ৭, এন্ডিং ৩। কাউন্টারে এই দুইটার উপরেও আলাদা বাজি নেওয়া হয়, আর রেটও আলাদা — কিন্তু গোনার নিয়ম একই: দশটা সম্ভাবনার একটা।

টিয়ার কোন দিন বন্ধ থাকে?

রবিবার আর মেঘালয়ের সরকারি ছুটির দিনে খেলা হয় না, তাই ওই দিনগুলোতে কোনো ফলাফলও থাকে না। যেসব তালিকায় রবিবারের সংখ্যা লেখা দেখবেন, সেগুলো কাউন্টারের ঘোষণা থেকে আসেনি।

তাহলে ফোন থেকে কী খেলা যায়?

যেসব গেমের ফলাফল স্ক্রিনেই আসে আর ফেরত গোনা যায়। একটা নম্বরে বাজি ইউরোপিয়ান রুলেটেও আছে: ৩৭ ঘরে ১, আর লাগলে বাজিসহ ৩৬ গুণ — ফেরত ৯৭.৩ শতাংশ। জমা আর টাকা তোলা — দুইটাই বিকাশ-নগদে চলে।

সম্পর্কিত পাতা

Crazy TimeলটারিTeen Pattiক্যাসিনো গেমMCWক্রিকেট বাজি
একটা নম্বরে বাজি, ফলাফল স্ক্রিনেইরুলেটে একটা নম্বরে ১০০ টাকা, লাগলে ফেরে ৩,৬০০
খেলুন